Showing posts with label বাংলা ব্লগস. Show all posts
Showing posts with label বাংলা ব্লগস. Show all posts
Tuesday, January 1, 2019
চাবি থেকে চাবি বানানোর মেশিন
চাবি কপি করতে হলে এই মেশিন দিয়ে করতে হয়। ভিডিওতে দেখুন কিভাবে একটি চাবি থেকে আর একটি ডুপলিকেট চাবি তৈরী হচ্ছে।
Categoties:
Video,
বাংলা ব্লগস
Monday, July 16, 2007
GPRS সম্পর্কিত আমাদের চাওয়া
বাংলাদেশের যারা গ্রামে থাকেন তাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের একমাত্র উপায় হলো মোবাইল ফোনের GPRS. আর যারা Student রাজধানী ঢাকা বা অন্যান্য শহরে হোষ্টেল বা মেস-এ থাকেন তাদের ব্রডব্যান্ড বা টিএনটির ডায়ালআপ লাইন ব্যবহার করা অনেক সময় হয়ে ওঠে না। কারন এর সমস্যা হলো স্থানান্তর করা। তাছাড়া টিএনটি ফোন কজনেরই বা আছে? ছাত্র-ছাত্রীরা যাদের ইন্টারনেট অতি প্রয়োজনীয়, তারা ইচ্ছা থাকা স্বত্বেও এর ব্যবহার করতে পারছেনা।
এবার আসি বর্তমানের GPRS এর ব্যবহার ও এর খরচ প্রসংগে। প্রথমেই বলি যারা GPRS সম্পের্কে জানেননা তাদেরকে। এটি মোবাইলফোনের মাধ্যমে ইন্টানেট ব্যবহারের একটি প্রযুক্তি। আর আপনার মোবাইলটিকে মোডেম হিসাবে ব্যবহার করে কম্টিউটার বা ল্যাপটপের সাথে কানেক্ট করে তাতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন মোবাইল নেটওয়ার্ক আছে এমন যে কোন জায়গায়। এ প্রযুক্তির প্রধান সুবিধা হলো এটি ব্যবহার করতে আপনার কোন তার দরকার নাই। গাড়ীতে বসে বা যে সব ষ্টুডেন্টরা প্রায়ই বাসা বা মেস বদল করেন বা আমার মতো ক্যাম্পাসের যেকোন জায়গায় ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চান তাদের GPRS ছাড়া কোন বিকল্প নাই।
বর্তমানে আমাদের দেশে সবকয়টি মোবাইল ফোন কোম্পানী GPRS সুবিধা দিচ্ছে। অনেকেই ব্রডব্যান্ড ও ডায়ালআপ এর বদলে GPRS-এর আনলিমিটেড প্যাকেজ ব্যবহার করে ইন্টারনেট পেতে চায়। (আনলিমিটেড প্যাকেজে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট চার্জের বিনিময়ে যতখুশী ব্যববহার করা যায়) সমস্যা হচ্ছে এই আনলিমিটেড প্যাকেজ প্রায় সব কোম্পানীই (টেলিটক বাদে) তাদের পোষ্ট-পেইড প্যাকেজের সাথে দিচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এবং প্রায় সব ষ্টুডেন্টরাই প্রি-প্রেইড সংযোগ ব্যাবহার করে থাকে। তারা পারছেনা তাদের নিজের পরিচিত মোবাইল নম্বরটিকে পরিবর্তন করে পোষ্ট-পেইড সংযোগ কিনতে। তাছাড়া আনলিমিটেড GPRS ব্যবহারের বতর্মান যে খরচ (আনলিমিটেড GPRS ১০০০ টাকা + লাইন রেন্ট ১০০ টাকা + ১৫% ভ্যাট = ১২৬৫ টাকা) প্রতিমাসে তা অনেক ষ্টুডেন্টই হয়ত বহন করতে পারবেনা।
আমার প্রস্তাব হচ্ছে- মোবাইলফোন কোম্পানীগুলো তাদের আনলিমিটেড GPRS প্যাকেজ শুধুমাত্র পোষ্ট-পেইডে না রেখে প্রি-পেইডেই দিতে পারে (টেলিটকের মতো)। অনেক ISP আবার anytime প্যাকেজ দিয়ে থাকে যা প্রতিদিন যেকোন সময়ে সর্বোচ্চ একটি নির্দষ্ট সময় ব্যবহার করা যায়। গ্রাহকের খরচ কমিয়ে সংখ্যা বাড়াতে কোম্পানীগুলো ২৪ ঘন্টার প্যাকেজের পাশাপাশী এধরনের anytime ১২ঘন্টা/৬ঘন্টা/৩ঘন্টার প্যাকেজ বাজারে ছাড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে ১২ঘন্টার জন্য প্রতিমাসে ৬০০টাকা (যেহেতু ২৪ঘন্টার জন্য ১০০০টাকা), ৬ঘন্টার জন্য ৪৫০ টাকা এবং ৩ঘন্টার জন্য ২৫০ টাকা চার্জ হতে পারে। তাছাড়া শুধু রাত বা শুধু দিনে ব্যবহার করা যায় এধরনের প্যাকেজও তারা গ্রাহককে দিতে পারে।
এইভাবে GPRS এর ব্যবহার বাড়ানো যেতে পারে। বাংলাদেশের মতো দেশে কম খরচে ছাত্র-ছাত্রীরা এটি ব্যবহারের সুবিধা আরও ব্যপক ভাবে নিতে পারবে পাশাপাশি মোবাইলফোন কোম্পানী গুলোর আয় বাড়বে বলে আমি মনে করি। আপনি কি বলেন?
এবার আসি বর্তমানের GPRS এর ব্যবহার ও এর খরচ প্রসংগে। প্রথমেই বলি যারা GPRS সম্পের্কে জানেননা তাদেরকে। এটি মোবাইলফোনের মাধ্যমে ইন্টানেট ব্যবহারের একটি প্রযুক্তি। আর আপনার মোবাইলটিকে মোডেম হিসাবে ব্যবহার করে কম্টিউটার বা ল্যাপটপের সাথে কানেক্ট করে তাতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন মোবাইল নেটওয়ার্ক আছে এমন যে কোন জায়গায়। এ প্রযুক্তির প্রধান সুবিধা হলো এটি ব্যবহার করতে আপনার কোন তার দরকার নাই। গাড়ীতে বসে বা যে সব ষ্টুডেন্টরা প্রায়ই বাসা বা মেস বদল করেন বা আমার মতো ক্যাম্পাসের যেকোন জায়গায় ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চান তাদের GPRS ছাড়া কোন বিকল্প নাই।
বর্তমানে আমাদের দেশে সবকয়টি মোবাইল ফোন কোম্পানী GPRS সুবিধা দিচ্ছে। অনেকেই ব্রডব্যান্ড ও ডায়ালআপ এর বদলে GPRS-এর আনলিমিটেড প্যাকেজ ব্যবহার করে ইন্টারনেট পেতে চায়। (আনলিমিটেড প্যাকেজে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট চার্জের বিনিময়ে যতখুশী ব্যববহার করা যায়) সমস্যা হচ্ছে এই আনলিমিটেড প্যাকেজ প্রায় সব কোম্পানীই (টেলিটক বাদে) তাদের পোষ্ট-পেইড প্যাকেজের সাথে দিচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এবং প্রায় সব ষ্টুডেন্টরাই প্রি-প্রেইড সংযোগ ব্যাবহার করে থাকে। তারা পারছেনা তাদের নিজের পরিচিত মোবাইল নম্বরটিকে পরিবর্তন করে পোষ্ট-পেইড সংযোগ কিনতে। তাছাড়া আনলিমিটেড GPRS ব্যবহারের বতর্মান যে খরচ (আনলিমিটেড GPRS ১০০০ টাকা + লাইন রেন্ট ১০০ টাকা + ১৫% ভ্যাট = ১২৬৫ টাকা) প্রতিমাসে তা অনেক ষ্টুডেন্টই হয়ত বহন করতে পারবেনা।
আমার প্রস্তাব হচ্ছে- মোবাইলফোন কোম্পানীগুলো তাদের আনলিমিটেড GPRS প্যাকেজ শুধুমাত্র পোষ্ট-পেইডে না রেখে প্রি-পেইডেই দিতে পারে (টেলিটকের মতো)। অনেক ISP আবার anytime প্যাকেজ দিয়ে থাকে যা প্রতিদিন যেকোন সময়ে সর্বোচ্চ একটি নির্দষ্ট সময় ব্যবহার করা যায়। গ্রাহকের খরচ কমিয়ে সংখ্যা বাড়াতে কোম্পানীগুলো ২৪ ঘন্টার প্যাকেজের পাশাপাশী এধরনের anytime ১২ঘন্টা/৬ঘন্টা/৩ঘন্টার প্যাকেজ বাজারে ছাড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে ১২ঘন্টার জন্য প্রতিমাসে ৬০০টাকা (যেহেতু ২৪ঘন্টার জন্য ১০০০টাকা), ৬ঘন্টার জন্য ৪৫০ টাকা এবং ৩ঘন্টার জন্য ২৫০ টাকা চার্জ হতে পারে। তাছাড়া শুধু রাত বা শুধু দিনে ব্যবহার করা যায় এধরনের প্যাকেজও তারা গ্রাহককে দিতে পারে।
এইভাবে GPRS এর ব্যবহার বাড়ানো যেতে পারে। বাংলাদেশের মতো দেশে কম খরচে ছাত্র-ছাত্রীরা এটি ব্যবহারের সুবিধা আরও ব্যপক ভাবে নিতে পারবে পাশাপাশি মোবাইলফোন কোম্পানী গুলোর আয় বাড়বে বলে আমি মনে করি। আপনি কি বলেন?
Categoties:
Ideas,
বাংলা ব্লগস
Friday, April 28, 2006
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে লেনদেন
ই-কমার্স এখন ব্যাপক আলোচিত একটি বিষয়। পাশাপাশি আলোচিত মোবাইল ফোনের মাধ্যমে লেনদেন, যা এম-কমার্স নামে পরিচিত। সেটাও এখন সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে অনেক দেশে। তবে আমাদের দেশে এখনো এ দুটি বিষয় পুরোপুরি চালু হয়নি। বর্তমানে দেশে মোবাইল ফোনের অ্যাকাউন্টে জমা টাকা অন্য মোবাইল অ্যাকাউন্টে পাঠানো যায়। এম-কমার্সের এই প্রয়োগি ব্যাপক জনপ্রিয় একটি বিষয়। দেশের চারটি জিএসএম প্রযুক্তিনির্ভর মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ফেক্সিলোড, আই-টপআপ, শেয়ার-ই-ফিল এবং ইজিলোড নামে এ সেবা প্রদান করছে। প্রচলিত নিয়মে এসএমএসের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে প্রাপ্ত গোপন নম্বর (পিন) ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের মধ্য যে কোন পরিমান টাকা পাঠানো যায় একই সেবাদাতার অন্য কোনো প্রাহক নম্বরে।
এ সেবার বড় অসুবিধা হলো পাঠানোর খরচ। সাধারণত, প্রাপকের প্রাপ্ত টাকা থেকে ভ্যাটসহ ২ টাকা ৩০ পয়সা কেটে রাখা হয়। এ ক্ষেত্রে কেউ যদি ৫০ টাকা পাঠিয়ে থাকেন তবে প্রাপকের হিসাবে জমা হবে ৪৭ দশমিক ৭০ টাকা। দুটি মোবাইল ফোন সেবাদাতা আবার প্রেরকের কাছ থেকেও একটি এসএমএস খরচও রেখে দেয়। অন্যদিকে মোবাইল ফোনের হিসাবে জমা থাকা টাকাকে ভাঙানোর কোনো ব্যবস্থা কোনো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানই রাখছে না। এই ব্যবস্থায় টাকা লেনদেন হচ্ছে ঠিকই কিন্তু গ্রাহক-প্রাপক কেউই নগদ টাকা লেনদেন করছেন না। মূল কাজটি হচ্ছে সেবাদাতার কম্পিউটারে।
এই প্রক্রিয়াটির কিঞ্চিত পরিবর্তন এবং নতুন কিছু বৈশিষ্ট্য সংযুক্ত করে টাকা লেনদেন প্রক্রিয়াকে অনেক সহস এবং ব্যাপক ভাবে করা যায়। এমনকি এটিএম-এর মতো একটি সেবা বাংলাদেশের সব মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর জন্যও দেওয়া সম্ভব।আমার প্রস্তাব হলো-
১। দশ টাকা থেকে শুরু করে প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোন পরিমান টাকা পাঠানোর সুযোগ থাকবে।
২। পাঠানোর জন্য এসএমএস খরচ সর্বোচ্চ ৫০ পয়সা করা।
৩। প্রাপকের হিসাবে জমা হওয়া টাকা থেকে কোনো ফি না কাটা এবং
৪। মোবাইল ফোনের হিসাবে জমা হওয়া টাকা ব্যাংক থেকে ভাঙানোর সুযোগ থাকা।
তবে মনে হয় ডিডি, টিটি করার জন্য ব্যাংকে না গিয়ে সবাই মোবাইল থেকে টাকা লেনদেন করতে আগ্রহী হবেন। ব্যাংক থেকে জমা অর্থ ভাঙানোর ক্ষেত্র আমার প্রস্তাব হলো- ব্যাংকের শাখাগুলোয় একটি করে মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হবে। যে নম্বরে গ্রাহক টাকা পাঠালে ওই টাকার অনুকূলে ব্যাংক তাকে নগদ অর্থ দেবে। ইচ্ছা করলে এটিএম মেশিনেও এধরনের সুবিধা দেওয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রতিটি এটিএম বুথের জন্য একটি মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হবে। কোনো ব্যক্তি বুথে উপস্থিত হয়ে ওই নম্বরে পাঠানো অর্থের বিপরীতে নগদ টাকা তুলতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে গ্রহক এটিএম বুথ থেকে টাকা নেওয়ার সময় তার মোবাইল নম্বরটি এবং রেজিস্ট্রেশনের সময় প্রাপ্ত গোপন নম্বরটি (পিন) ব্যবহার করবেন।
এ ধরনের পদ্ধতিতে টাকা লেনদেন শুরু হলে সাধারণ কেনাকাটাতের নগদ অর্থের পরিবর্তে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দাম পরিশোধ করা যাবে। ইচ্ছে করলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ব্যাংকের বদলে মোবাইলে টাকা লেনদেন করতে পারবে (যেহেতু পরে ক্যাশ করা যাচ্ছে)।
প্রযুক্তিগতভাবে পিছিয়ে থাকা এ দেশের মানুয় গ্রামে বসেও মুহূর্তের মধ্যে টাকা আদান-প্রদান করতে পরবেন। সবাই অনলাইন লেনদেনের সুবিধা গ্রহন করতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস। আপনি কি বলেন?
Categoties:
Ideas,
My Publications,
বাংলা ব্লগস
Wednesday, June 16, 2004
Subscribe to:
Posts (Atom)

